কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস কি?

কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস কি ?



Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ Compute শব্দ থেকে এসেছে। Compute  শব্দের অর্থ গণনা করা। Computer শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র।কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ডাটা বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। ডাটা হলো কম্পিউটার কাছে এক ও শূণ্য। কম্পিউটার এমন এক যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে। সভ্যতার বিকাশ এবং বর্তমানে তার দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে গণিত ও কম্পিউটারের প্রবল প্রভাব। বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে। অর্থাৎ কম্পিউটার ডাটাকে চেনে এক ও শূণ্য হিসেবে।
কম্পিউটার জানে কিভাবে ডাটাকে আরও জটিল কিছুতে রূপান্তর করতে হয়, যেমন ছবি, মুভি, ওয়েবসাইট, গেইমস ও আরও অনেক কিছু। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ে কম্পিউটার গঠিত।
কম্পিউটার যেসকল যন্ত্রাংশ নিয়ে গঠিত সেগুলো ই হলো হার্ডওয়্যার। যেমন প্রসেসর, কিবোর্ড, মনিটর। অপরদিকে সফটওয়্যার হলো একগুচ্ছ নির্দেশনার সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নির্দেশ করে হার্ডওয়্যার কি করবে, যেমন: ওয়েব ব্রাউজার, মিডিয়া প্লেয়ার, ওয়ার্ড প্রসেসর। যখন বেশীরভাগ মানুষ কম্পিউটারের কথা বলে, তাঁরা সাধারণত পার্সোনাল কম্পিউটারের কথাই বলে। এটি হতে পারে ডেস্কটপ কিংবা ল্যাপটপ।

কম্পিউটার সংজ্ঞা কি ?

“কম্পিউটার হল একটি মেশিন যা নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী অনুসারে কাজ সম্পাদন করে। আরও বলতে গেলে, একটি কম্পিউটার একটি বৈদ্যুতিন ডিভাইস যা ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে ডেটা গ্রহণ করে এবং সেগুলি প্রক্রিয়া করে এবং আউটপুট ডিভাইসের সাহায্যে তথ্য আকারে সেই ডেটা সরবরাহ করে ”

কম্পিউটারের সম্পূর্ণ ফর্ম কি?

কম্পিউটারের জনক, ” চার্লস ব্যাবেজ ” কে বলা হয়ে থাকে। ১৮৩৩ সালে (1833) , তিনি অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন যা আধুনিক কম্পিউটারগুলির ভিত্তিতে পরিণত হয়েছিল।
এ কারণে তাঁকে কম্পিউটারের ফাদার খেতাব দেওয়া হয়।

কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ কি?

C – Common
O – Operating
M – Machine
P – Particularly
U – Used in
T – Technology
E – Education and
R – Research

Computer = Common Operating Machine Particularly Used in Technology Education and Research.

পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটারের নাম :

পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটারের নাম হচ্ছে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) । এটিই প্রথম প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করার ডিজিটাল কম্পিউটার। এর পর থেকেই মূলত কম্পিউটার প্রজন্ম শুরু হয়।দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী একটি পুরোপুরি ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার নির্মানের পরিকল্পনা নিলে আধুনিক কম্পিউটারের জনক ভন নিউম্যান, প্রেসপার একর্টি জুনিয়র, এবং হারম্যান গোল্ডস্টেইনের মতো কম্পিউটার মহারথী মুর স্কুল অব ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন। পঞ্চাশ ফুট বাই ত্রিশ ফুটের ভূ-গর্ভস্থ কক্ষে চল্লিশ জন বিজ্ঞানী তিন দেয়াল জুড়ে থাকা এই কম্পিউটার চালাতেন।


কম্পিউটার কি ভাবে কাজ করে ?

কম্পিউটার  সাধারণত দুইটি মাধ্যমের সমন্বয়ে কাজ সম্পাদন করে থাকেঃ
১- হার্ডওয়্যার
২- সফটওয়্যার

কম্পিউটারের বিভিন্ন যান্ত্রিক অংশ যেমন গ্রহনমুখ, নির্গমমুখ, কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ প্রভৃতিকে একত্রে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার (Hardware)বা যান্ত্রিকসরঞ্জ্রাম বলা হয়।  হার্ডওয়্যারের কার্যক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য প্রোগ্রামের দরকার হয়। কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রোগ্রামসমূহকে সামগ্রিকভাবে সফটওয়্যার (Software) বা প্রোগ্রামসামগ্রী বলা হয়। সুতরাং একটি কম্পিউটার হল  হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর যৌথ সমন্বয়।

অর্থাৎ, প্রোগ্রামসামগ্রী ও যান্ত্রিকসরঞ্জ্রাম একে অপরের পরিপূরক।

হার্ডওয়্যার : 
কম্পিউটারের বাহ্যিক আকৃতিসম্পন্ন সকল যন্ত্র, যন্ত্রাংশ ও ডিভাইস সমূহকে হার্ডওয়্যার বলে। কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে আবার তিনভাগে ভাগ করা যায়।
ক) ইনপুট যন্ত্রপাতি: কী-বোর্ড, মাউস, ডিস্ক, স্ক্যানার, কার্ড রিডার, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।
খ) সিস্টেম ইউনিট: হার্ড ডিস্ক, মাদারবোর্ড, এজিপি কার্ড, র‍্যাম ইত্যাদি।
ঘ) আউটপুট যন্ত্রপাতি: মনিটর, প্রিন্টার, ডিস্ক, স্পিকার, প্রোজেক্টর, হেড ফোন ইত্যাদি।

সফটওয়্যার : 
সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে তাকেই সফটওয়্যার বলে।
কম্পিউটারের সফট্ওয়্যারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

ক ) সিস্টেম সফটওয়্যার :
 সিস্টেম সফট্‌ওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কম্পিউটারের সামর্থ্যকে সার্থকভাবে নিয়োজিত রাখে।

খ) এপ্লিকেশন সফটওয়্যার : 
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে। ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক রকম তৈরি প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে পাওয়া যায়, যাকে সাধারণত প্যাকেজ প্রোগ্রামও বলা হয়।

কম্পিউটারের ইতিহাস কি ?

বর্তমান যুগ কম্পিউটারের যুগ। এখন আপনাকে কেউ যদি জিজ্ঞেস করে কম্পিউটার আবিষ্কার কে করেছেন? তাহলে আপনি এর উত্তর কি দিবেন? কারণ আজকের এই কম্পিউটার একজনের হাত ধরে আসেনি। এটি এসেছে অনেক অনেক মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে। এর জন্যই আপনাকে জানতে হবে এর প্রথম দিক থেকে।ইতিহাস থেকে যা জানা গেছে তা হল, প্রায় ৪ হাজার বছর আগে চীনারা গণনা করার জন্য একটি যন্ত্র তৈরি করে। যার নাম ছিল অ্যাবাকাস।এটিই হল পৃথিবীর প্রথম গণনাকারী যন্ত্র। আর এটিই হল বর্তমান কম্পিউটারের পূর্বপুরুষ।

কম্পিউটারের পরিচিতি --

কম্পিউটার তার কাজ একা করতে পারে না। কোনও কাজ সম্পাদনের জন্য কম্পিউটার অনেক ধরণের ডিভাইস এবং প্রোগ্রামের সহায়তা নেয়। এই কম্পিউটার সরঞ্জামগুলি এবং প্রোগ্রামগুলি যথাক্রমে ‘ হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ‘ নামে পরিচিত ।

1. সিস্টেম ইউনিট
সিস্টেম ইউনিট এমন একটি বাক্স যেখানে কম্পিউটারের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকে। সিস্টেম ইউনিটকে সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট )ও বলা হয় ।
মাদার বোর্ড, প্রসেসর ইত্যাদির মতো সরঞ্জাম রয়েছে যা কম্পিউটারকে কার্যক্ষম করে তোলে। একে কম্পিউটার কেসও বলা হয়।

2. মনিটর
একটি মনিটর একটি আউটপুট ডিভাইস যা আমাদের ফলাফল দেখাতে ব্যবহার করা হয়। এটি ঠিক টিভির মতো। বর্তমানে এলসিডি, এলইডি বিভিন্ন ধরণের মনিটর ব্যবহার করা হয়।

3. কীবোর্ড
কীবোর্ড একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার যা আমাদের কম্পিউটারে কমান্ড দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর সাহায্যে কম্পিউটারে কাঙ্ক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী দেওয়া হয়। এটিতে বিভিন্ন ধরণের Key রয়েছে,
যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা এবং নির্দেশাবলী প্রেরণ করা হয়।

4. মাউস
মাউস একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার যা একটি কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। আমরা এটির মাধ্যমে কম্পিউটারে খুব সহজে প্রোগ্রাম দিতে পারি। জাস্ট ট্যাপ টু ক্লিক

5. স্পিকার
স্পিকারগুলি আউটপুট ডিভাইস যা আমাদের কম্পিউটার থেকে ভয়েস শুনতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে আমরা গান, সিনেমা, প্রোগ্রাম এবং গেমস ইত্যাদির শব্দগুলি শুনতে পাই।

6. প্রিন্টার
কাগজে কম্পিউটার বিশ্লেষণ করা তথ্য পাওয়ার জন্য প্রিন্টারও একটি আউটপুট ডিভাইস। কাগজে প্রাপ্ত তথ্যগুলিকে ‘হার্ডকপি’ও বলা হয়। এবং বিপরীতে, কম্পিউটারে থাকা তথ্যগুলিকে নিজেই বলা হয় ‘সফটকপি’।

কম্পিউটারের ব্যবহার --

মানুষ তার কাজের উন্নয়নের জন্য কম্পিউটারকে কাজে লাগায়। তাই দিন দিন কম্পিউটারের ব্যবহার বেড়েই চলছে। নিচে কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার উল্লেখিত হলঃ-


  • অফিস ব্যাবস্থাপনা
  • শিক্ষা ক্ষেত্রে
  • শিল্প ক্ষেত্রে
  • চিকিৎসা ক্ষেত্রে
  • কৃষি ক্ষেত্রে
  • গবেষণায়
  • সামরিক ক্ষেত্রে
  • তথ্য পরিসংখ্যানে
  • ডিজাইনে
  • প্রোগামিং
  • মুদ্রণ শিল্পে
  • যোগাযোগ ব্যবস্থায়
  • ব্যাংকিং জগতে
  • সংস্কৃতি ও বিনোদনে
  • আদালত
  • অর্থবাজারে
  • আবহাওয়ার পূর্বাভাসে

কম্পিউটারের শ্রেণী বিভাগ --

আকৃতিগত দিক থেকে কম্পিউটারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. সুপার কম্পিউটার (super computer)
খ. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (mainframe computer)
গ. মিনি কম্পিউটার (mini computer)
ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার (micro computer)

ক. সুপার কম্পিউটার : 
আকৃতিগত দিক থেকে সর্ববৃহত এই কম্পিউটারটিতে তথ্য সংরক্ষণ-তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুত গতিসম্পন্ন।
এই কম্পিউটার সাধারণত বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও বৃহত প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন-cray-1, cray x-mp, cyber-205.

খ. মেইনফ্রেম কম্পিউটার : 
সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তবুও অন্যান্য কম্পিউটারের চেয়ে বড় এ ধরণের কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলো গ্রহণ মুখ ও নির্গমন মুখ,
সরঞ্জাম ও বিভিন্ন রকম সহায়ক স্মৃতির সাথে সংযোগ রক্ষা করে কাজ করে থাকে। বড় বড়
প্রতিষ্ঠানসমূহ এ ধরণের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে। যেমন-univac1100/01, ibm 6120, ibm 4341, ncr n8370, data general cs30.

গ. মিনি কম্পিউটার  : 
সবচেয়ে জনপ্রিয় এটি কম্পিউটারটি আকৃতিগত ছোট ও দামে সস্তা। অফিসিয়াল কাজ, খেলাধুলা ও এন্টারটেইনমেন্ট কাজে বহুল ব্যবহৃত।
এ কম্পিউটারকে পিসি (personal computer) বলে। যেমন-ibm p.c, trs 80, apple 64.

ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার :
মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সুপার মাইক্রো (super micro)
২. ডেস্কটপ (desktop)
৩. ল্যাপটপ (laptop)

১. সুপার মাইক্রো  : 
সুপার মাইক্রো কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রো কম্পিউটার। এর অন্য নাম ওয়ার্ক ষ্টেশন। এই কম্পিউটারের ক্ষমতা যে কোন মিনি কম্পিউটারের কাছাকাছি
হওয়ায় এগুলো মিনিফ্রেমের স্থান দখল করে নিচ্ছে।

২. ডেস্কটপ  : 
এটি সহজে ব্যবহার ও ডেস্কে স্থাপন করা যায়। যেমন-আইবিএম পিসি, এ্যাপল মেকিনটোশ।

৩. ল্যাপটপ  : 
ডেক্সটপ থেকে ছোট কম্পিউটারগুলো সহজে বহন ও ব্যবহার করা যায়। এটি lap (কোল) এর উপর top (উপর) রেথে কাজ করা যায়। ল্যাপটপ দুইশ্রেণীতে বিভক্ত।
যেমন-নোট বুক (note book) ও পিডিএ (pda)।

নোট বুক (note book) : ছোট ডায়রী ও নোটবুক আকৃতির ল্যাপটপ। এগুলোকেও পাওয়ার বুক বলা হয়।পিডিএ (pda) : সাবনোট বুক পিডিএ (personal digital assistance) এক ধরণের ল্যাপটপ।

আকৃতিগত দিক ছাড়াও গঠনগত দিক থেকে কম্পিউটারকে আরও তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।  যেমন-
১. ডিজিটাল কম্পিউটার (digital computer),
২. অ্যানালগ কম্পিউটার (analog computer),
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার (hybrid computer)।

১. ডিজিটাল কম্পিউটার  : 
এ ধরণের কম্পিউটার বর্ণ/অংক সংকেতের মাধ্যমে তথ্যগ্রহণ করে থাকে এবং ফলাফল প্রকাশ করে। এ কম্পিউটার নির্ভুলভাবে গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে সূক্ষ্মভাবে।
 1 ও 0 বাইনারী সংখ্যার উপর নির্ভর করে উপাত্ত সংগ্রহ করে।

২. অ্যানালগ কম্পিউটার  : 
এ কম্পিউটারে বর্ণ ও অংক সংকেতের পরিবর্তে এনালগ বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে। রোদ, তাপ, উত্তাপ, চাপ জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে অ্যানালগ কম্পিউটার
ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং ফলাফল সাধারণ প্লটার দিয়ে অংকন করে। রাসায়নিক, পেট্রোলিয়াম ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার  : 
ডিজিটাল ও অ্যানালগ এ দুই ধরণের কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে। বৈজ্ঞানিক সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

Post a Comment

0 Comments