আউটসোর্সিং কী?
আউট অর্থ বাহির । সোর্স অথ উৎস। তাহলে কথা হচ্ছে,আউটসোর্সিং অর্থ বাহিরের উৎস।
যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাঁর নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজ ইন-হাউজ না করে বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি হচ্ছে আউটসোর্সিং।
যারা আউটসোর্সিং করে তাদের সাধারণত আউটসোর্সার বা বায়ার বলা হয়। এরাই ফ্রীল্যান্সার দের ক্লায়েন্ট হয়ে থাকে।
বিদেশী কোম্পানীগুলো তাদের দেশের লোকেদের দিয়ে আইটি সংক্রান্ত কাজ করালে অনেক বেশী সেলারি পে করতে হয়,তাছাড়া তারা পর্যপ্ত কর্মী পাই না।তাই কম খরচে আইটি সংক্রান্ত কাজগুলো করানোর উদ্দেশ্যে তারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং আমাদের নিজ যোগ্যতাই চাকরিগুলো পাই।আমরা (বাংলাদেশীরা) আমাদের কম্পিউটারে কাজগুলো করে অনলাইনের মাধ্যমে বিদেশী কোম্পানীগুলো কে পাঠাতে থাকি এবং প্রতি সপ্তাহে তারা আমাদের ব্যাংক একাউন্টে বেতন পাঠাতে থাকে। এই সিস্টেম এর নাম আউটসোর্সিং ।
বাংলাদেশে আউটসোর্সিং নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে সেটা মূলত ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের আউটসোর্সিং। ব্যবসায়িকভাবে আউটসোর্সিং সার্ভিসের শিল্পটা এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি।
এটা ঠিক আউটসোর্সিং সার্ভিস দেয় এমন অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে এবং দিন দিন এটি বাড়ছে।
অনেকের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ শুরু করে উদ্যোক্তা হবার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে, এটি সত্যিই আশা ব্যঞ্জক।

0 Comments