বাংলা লিখন পদ্ধতি
এই ছবিটি থেকে আপনারা কি-বোর্ডের বোতাম এ বাংলার অবস্থান ও কী বোর্ডের কোন কোন বোতাম চাপলে বাংলা বর্ণমালা লেখা হবে সেটি সম্পর্কে আপনারা খুব ভালোভাবে জানতে পারবেন। তাই এই পিকচারের যেগুলো লেখা আছে এগুলো আপনারা খুব ভালোভাবে পড়বেন ও মনে রাখবেন। সব সময় একটি কথা মনে রাখবেন বাংলা লিখতে গেলে আপনাদের অবশ্যই এইগুলো খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
2
বাংলা টাইপ করার পদ্ধতি
বাংলা সেট করার নিয়ম ঃ
Click Format 2 Click Font (দেখা যাবে বক্স) উক্ত Box-এর Font Box থেকে বাংলা Font SutonnyMJ বাছাই করি 8 Click OK এখন Kev Board থেকে এক সঙ্গে Ctrl এবং Alt চেপে ধরে B’ অক্ষর চাপ দিই।
বিশেষ দ্রষ্টব্য ঃ
বাংলা লেখার সময় যেসব স্থানে Shi+’ উল্লেখ থাকবে সেই সব স্থানে Shift চেপে ধরে তার পরে যে। অক্ষর উল্লেখ আছে সেই অক্ষর চাপ দিতে হবে।
যেমনঃ Shift + F = অ, এখানে ‘Shift চেপে ধরে F’ অক্ষর চাপ দিতে। হবে। এবং যেসব স্থানে ‘G’ অক্ষর উল্লেখ থাকবে সেইসব স্থানে ‘G? একবার চাপ দিয়ে ছেড়ে দিয়ে তার পরে যে অক্ষর উল্লেখ আছে সেই অক্ষর চাপ দিতে হবে।
যেমনঃ G + F = আ এখানে প্রথমে ‘G’ চাপ দিয়ে ছেড়ে দিয়ে তারপর F চাপ দিতে হবে।
3
লেখার নিয়মঃ
যুক্ত বর্ণ লেখার সময় যে বর্ণটি আগে উচ্চারিত হবে সেই বর্ণটি আগে লিখতে হবে । তার পর একবার G অক্ষর চাপতে হবে। তার পরে যে বর্ণটি উচ্চারিত হবে সেই বর্ণটি লিখতে হবে।
নিবে কিছু যুক্ত বর্ণ লেখে দেখানাে হল ঃ
4
5
যে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাংলা লিখতে গেলে অবশ্যই বাংলা বানান / উচ্চারণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা থাকা প্রয়োজন।
ধরি, কি-বাের্ডের ইংরেজি বাটনে যে সকল বাংলা অক্ষর আছে তা আপনার মুখস্থ হয়ে গেছে। তারপর আপনি বিজ্ঞান' শব্দটি লেখার জন্য u + G + sift + i এভাবে মুখস্ত করে চলেছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিটি যুক্ত অক্ষর কম্পিউটারে বাংলায় লিখতে হলে ছােট বেলার মতাে। মুখস্থ করতে অনেক পরিশ্রম করতে হবে।
আপনার যদি বাংলা বানান সম্পর্কে সম্মক ধারণা থাকে তাহলে কি-বাের্ড ছাড়া আপনি সকল বানান খুব সহজেই কম্পিউটারে লিখতে পারবেন।
তাই আবারাে বলছি কম্পিউটারে বাংলা লিখতে হলে অবশ্যই বাংলা বানান/উচ্চারণ সম্পর্কে সম্মক ধারণা থাকা প্রয়ােজন।
ল্ক > ল্যই কঅ > ল (+) ক > উল্কাপাত > এখানে (+) স্থলে কি-বাের্ডের (G) অক্ষরটি একবার চাপতে হবে।
6
সূত্র ঃ যুক্ত অক্ষর লেখার জন্য প্রথম অক্ষরটি লেখার পর কি-বাের্ডের G অক্ষরটি একবার চেপে পরের বাংলা অক্ষরটি লিখতে হবে।
যেমন- জ্ঞ > জ + G + ঞ
নােটঃ যে কোন ওয়ার্ড/শব্দ লেখার পরে যদি কমা (,) ব্যবহার হয় তাহলে কমা দেওয়ার আগে স্পেস ব্যবহার করা যাবেনা। কমা (,) দেওয়া
পরে একটি স্পেস দিতে হয়। যে কোন শব্দ লেখার পর দাড়ি (।) চিহ্ন দেওয়ার পরে একটি স্পেস দিতে হয়। আর প্রতিটি শ লেখার পর একটি স্পেস দিতে হয়।
(এ- কার), । (আ-কার), 7 (ঔ কার), (ঋ- কার), (উ- কার), (উ- কার) ইত্যাদি কার ছাড়াও আরাে অনেক কার বাহন
শব্দে ব্যবহার হয়। আমরা খুব সহজেই শিখে নিতে পারি কিভাবে কার ব্যবহার করে অক্ষর তৈরী হয়।
সূত্র ঃ G (জি) অক্ষর একবার চেপে যে কোন কার একবার চাপলে সেই অক্ষর হয়। যেমন- (এ- কার) > G (জি) + (C) = এ
অর্থাৎ, মূল কথা হলাে G চেপে যে কোন কার চাপলে সেই অক্ষর।
নিচের এই গুলো আপনারা খুব ভালোভাবে পড়বেন এবং মনে রাখবেন। বাংলা লিখতে গেলে আপনাদের অবশ্যই এগুলো খুব প্রয়োজন পড়বে।
ক=ক+ক; আক্কেল, টেক্কা
ঔ= ক+ট; ডক্টর
ঐ= ক+ট ; অক্ট্রয়
ক+ত= ক্ত ; রক্ত
ক+ত = ব ।
ক+ব= কু; পক,কুণ
ক+ম= ক্স; রূক্মিণী
ক+= ক্য; বাক্য
ক = ক্র; চক্র
ক+ল=ক্ল; ক্লান্তি
ক+ষ=ক্ষ;পক্ষ
ক+ষ+ণ=ক্ষ; তীক্ষ
ক+ষ+বক্ষ ক+ষ+ম=ক্ষ্ম; লক্ষ্মী
ক+ষ+ম+=ক্ষ্ম;সৌক্ষ্মা
ক+ষ+=ক্ষ্য; লক্ষ্য
ক+স=ক্স; বাক্স।
খ+ = সখ্য খ=; খ্রিস্টান
গ+ন=গ্নঃরুগ্ন
মুগ্ধ, বৈদগ্ধ,
দোঞ্জী,ভগ্ন,অগ্ন্যাস্ত্র,দিগ্বিজয়ী,
যু,ভাগ্য,গ্রাম,ঐকাগ্র্য,
গ্লানি,কৃতঘ্ন,অশ্লাঘ্য,ঘ্রাণ,অঙ্ক,পক্তি,
অঙ্ক্য,আকাঙ্খ,শঙ্খ,অঙ্গ,ব্যঙ্গ্যার্থ,সঙ্ঘ ,
দুর্লঙ্ঘ্য,অজ্জি,ব্যাঙ্গময়,বাচ্চা,
ইচ্ছা,জলােচ্ছ্বাস, উদ্যায়,
যাচা,প্রাচ্য, বিপজ্জনক,উজ্জ্বল,
কুক্কটিকা, জ্ঞান,গঞ্জ,জ্বর রাজ্য, বস্ত্র, বজ্র,
অঞ্চল,লাঞ্ছনা,
কুঞ্জ,ঝঞা,চট্টগ্রাম,খট্টা, কুটুল,নাট্য,
ট্রেন, আচ্ছা,
অঞ্জলী,জাড্য,ড্রাইভার,ধনাঢ্য, মেট্রো,
ঘণ্টা, কণ্ঠ, কণ্ঠা,গন্ডগােল,পাণ্ড্য,
পু, ষণ্ট,বিপ্ন,স্নেহাণীশ্বর,চিন্ময়, পূণ্য,
উৎকণ্ঠ, উত্তর, সত্ব,উত্ত্যক্ত, অশ্বত্থ,
যত্ন, রাজত্ব, আত্মা,
দৌরাত্ম,সত্য,ত্রিশ, বৈচিত্র, কালা,
বৎসর, পৃথ্বী, পথ্য,থ্রি, উদ্দাম,
উঘাটন,উদ্দেশ্য, তদ্বারা,রূদ্ধ, বিদ্বান,
অদ্ভুত, উদ্বান্ত ছদ্ম,
বাদ্য,রূদ্র,দারিদ্র,অর্থলগ্ন, ধ্বনি,
উদরান, আরাধ্য,
ধ্রুব,প্যান্ট,কন্ট্রোল, লণ্ঠন,গন্ডার,
হান্ড্রেড,জীবন্ত, সান্ত্বনা,অন্ত্য, মন্ত্র,
স্বাতন্ত্র্য,গ্রন্থ, ছন্দ,অনিন্দ্য,
দ্বন্দ্ব,কেন্দ্র,








0 Comments